Top News

আন্তজেলা পকেটমার চক্র

 






বাংলাদেশ নিউজ :- 

খবরটা শুনে হাসব না কাঁদব, বুঝতে পারছি না। বসুন্ধরা শপিং মলে যুথী নামে যে চোর ধরা পড়েছেন, তিনি নাকি আন্তজেলা পকেটমার চক্রের নেতৃত্বে আছেন! তার মানে পকেটমারদেরও সংগঠন রয়েছে এবং তাতে নেতা ও কর্মীও রয়েছেন। কী করে এরা তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তা জানার আগ্রহ হচ্ছে আমাদের।

চমকপ্রদ পদ্ধতিতে এই আন্তজেলা পকেটমার চক্রের নেত্রী চুরি করেছেন গত শুক্রবার। যাঁকে শিকার বানাবেন, তাঁকে ধাক্কা দেন তিনি। সঙ্গে থাকেন চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য। ধাক্কা দিয়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিকারের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে লোপাট করে নেন টাকা। তাঁর দল সেদিন আরও কয়েকজন নারীর কাছ থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার চুরি করেছে।

ধরা যখন পড়েছে তখন তার বিচারও নিশ্চয়ই হবে। খোয়ানো টাকাপয়সাও নিশ্চয়ই ফিরে পাবেন ভুক্তভোগীরা। সেটা আমাদের আলাপের বিষয় নয়। আমরা বিস্মিত হয়েছি, পকেটমারদের একটা আন্তজেলা চক্র আছে জানতে পেরে। যদি কেউ কৌতুক করে নামটি না দিয়ে থাকে, সত্যিই যদি এ রকম একটি চক্রের অস্তিত্ব থেকে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, পকেটমার বা চোরেরাও এখন সংগঠিত একটি শ্রেণি। চুরিকে তারা পেশা হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্রসঙ্গেই আরও কিছু কথা বলা দরকার।

কেউ কি খেয়াল করেছেন, যেকোনো বাজারে কেনাকাটা করতে গেলেই একদল নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে যাবে আপনার আশপাশে। ভিক্ষার জন্য পেতে দেবে হাত। স্বীকার করছি, কর্মসংস্থানের উপায় সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে বলে অনেকেই কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না। কিন্তু বাজারে এসে হাত পাতার বিষয়টি কর্মসংস্থানের অভাবের সঙ্গে কমই সামঞ্জস্যপূর্ণ। একটা শ্রেণি দাঁড়িয়ে গেছে, যাদের কাজই হচ্ছে ঘুম থেকে উঠে বাজারে এসে জনে জনে হাত পাতা। আপনি যদি তাদের বাড়িতে কাজ করার প্রস্তাব দেন, তারা সে প্রস্তাব গ্রহণ করবে না, কারণ

ভিক্ষা করলে মাসিক আয় বাসাবাড়িতে কাজ করার চেয়ে বেশি। এদেরও আন্তজেলা ভিক্ষুক সমিতি আছে কি না, সেটা জানতে ইচ্ছে করে।

Post a Comment

Previous Post Next Post