তবে প্রশ্ন উঠেছে— একই কাজ চীনসহ অনেক দেশ করলেও ভারতের ওপরেই কেন এই শুল্ক রোষ? এই প্রশ্নের জবাবে ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বলেছেন, ট্রাম্পের ‘সবচেয়ে বড় ক্ষোভ’ এখন ভারতের ওপর, কারণ ভারত তার রাজনৈতিক ‘ক্রেডিট’ নষ্ট করেছে।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীন কখনো প্রকাশ্যে ট্রাম্পের কৃতিত্ব খণ্ডন করেনি। চীনা নেতৃত্ব ট্রাম্পকে ফোন করে শেখায়নি কী সঠিক, আর কী ভুল। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে এসব ঘটেছে।
সম্প্রতি কাশ্মীরের পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালানোর পর ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লির দাবি, যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত এসেছে পাকিস্তানের অনুরোধে এবং এতে কোনো বিশ্বনেতার ভূমিকা নেই।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই ভারতীয় পার্লামেন্টে বলেছেন, ভারতের সেনা অভিযান থামাতে কোনো বিশ্বনেতা আহ্বান জানাননি। যদিও তিনি সরাসরি ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেননি।
কুগেলম্যানের মতে, ভারতের এই অবস্থান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিব্রত করেছে এবং সেখান থেকেই শুরু হয়েছে তার ক্ষোভের প্রকাশ।
Post a Comment